প্রজন্ম24 ডেস্ক:
সাংবাদিক আলী মামুদ
ছবি:
দৈনিক দিনকালের সিটি এডিটর ও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদকে (৭০) মারা গেছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য আলী মামুদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পরপর তাঁর স্ত্রী জেসমিন আরার সঙ্গে কথা হয় । তিনি বলেন, গতকাল সোমবার বাসা থেকে বের হন আলী মামুদ। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, প্রথমে প্রেসক্লাব যাবেন, পরে যাবেন নিজ কর্মস্থল দিনকালে। আলী মামুদকে পরে তিনি ফোনে পাচ্ছিলেন না। দিবাগত রাত ১২টার পরও আলী মামুদ বাড়ি ফিরে না আসায় তিনি (জেসমিন আরা) দিনকাল কার্যালয়ে ফোন দেন। জানতে পারেন, আলী মামুদ দিনকাল কার্যালয়ে যাননি। এরপর আজ সকালে তিনি বড় ছেলেকে নিয়ে প্রেসক্লাবে যান আলী মামুদকে খোঁজ করতে। সেখানে আলী মামুদকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
জেসমিন আরা বলেন, আলী মামুদের বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। আগে তিনি দুবার শৌচাগারে পড়ে গিয়েছিলেন। এটা নিয়ে তিনি সব সময় ভয়ে থাকতেন।
হাসপাতালে চিকিৎসক আলী মামুদকে মৃত ঘোষণা করার পর কথা হয় তাঁর বড় ছেলে আমির আবদুল্লাহ তানভীরের সঙ্গে। তিনি বলেন, চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর বাবা আগেই মারা গেছেন। তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে।
আলী মামুদ তিন সন্তানের বাবা। তাঁর দুই ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন; আর মেয়ে কলেজে পড়েন।
বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা: মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল-এর শোকবার্তা —
দৈনিক দিনকালের সাংবাদিক ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদ ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মরহুম আলী মামুদের মৃত্যুতে আমরা বিএনপি মিডিয়া সেল পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।
মরহুম আলী মামুদ ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান সাংবাদিক ও বিএনপি মিডিয়া সেলের একজন প্রজ্ঞাবান ও দায়িত্বশীল সদস্য। দলীয় কর্মকাণ্ডে এবং গণতন্ত্র ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে তার ভূমিকা প্রশংসনীয় ছিল। তার মৃত্যুতে বিএনপি মিডিয়া সেল একজন আন্তরিক সহযোদ্ধাকে হারাল।
আমরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।