রুহুল কুদ্দুস
, মণিরামপুর
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৮৯, যশোর-৫ (মণিরামপুর) সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হতে চান রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও বিশিষ্ট নারী নেত্রী তহমিনা খাতুন। ইতিমধ্যে তিনি প্রচার-প্রচারনা শুরু করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করা এবং বিএনপি’র আদর্শিক আন্দোলনে দীর্ঘ লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি এখন সাধারণ মানুষের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।
তহমিনা খাতুন ১৯৯৬ সাল থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু চড়াই-উতরাই পাড়ি দিয়েছেন। ওয়ান ইলেভেনের সংকটময় মুহূর্ত থেকে শুরু করে বিগত বছরগুলোর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার সাহসী ভূমিকা দলের হাই কমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং ঢাকা মহানগরের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের দুর্দিনে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ‘লড়াকু সৈনিক’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। এছাড়া তিনি ২৪ এর ফ্যাসিবাদ আন্দোলনেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন, পেয়েছেন জুলাই যোদ্ধা খেতাব।
তহমিনা খাতুন জানান—মণিরামপুরের অবহেলিত নারীদের অধিকার রক্ষা এবং নারী শিক্ষার প্রসারে তিনি কাজ করতে চান। তিনি বলেন, “শহীদ জিয়ার আদর্শ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে আমি দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে আছি। মণিরামপুরের মানুষের সাথে আমার নাড়ির সম্পর্ক। দল যদি আমাকে মনোনয়ন প্রদান করে, তবে আমি সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে এলাকার উন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দেবো।”
মণিরামপুর এলাকার স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ নারীদের মধ্যে তহমিনা খাতুনকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, শিক্ষিত-মার্জিত ও সাহসী নেত্রী হিসেবে তহমিনা খাতুন সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে যোগ্যতম প্রার্থী। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে যার ত্যাগ রয়েছে, তাকেই মূল্যায়ন করা উচিত বলে তৃণমূলের দাবি। আসন্ন নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে মণিরামপুর তথা যশোরের নারী উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।