বিশেষ প্রতিনিধি
, নাটোর
৩১শে মার্চ, নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়ন এর শহীদ জিয়াউর রহমান বিপ্লবকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়। আজ জিয়াউর রহমান বিপ্লবের দশম শাহাদাৎ বার্ষিকী। গনতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার সংগ্রামের আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হন এই সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা শহীদ বিপ্লব।
২০১৬ সালের ৩১শে মার্চ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়া এবং নৌকার ভোট ডাকাতির প্রতিবাদ করার কারণে প্রকাশ্যে দিবালোকে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা জিয়াউর রহমান বিপ্লবকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে।
দশ বছর পূর্ণ হয়ে গেলেও এখনো বিপ্লবের পরিবার এই হত্যার বিচারের জন্য আদালতের বারান্দায় ঘুরছে হত্যাকারীদের বিচারের দাবি নিয়ে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আসামিরা আদালত থেকে স্থায়ী জামিনে মুক্ত হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যা বিপ্লবের পরিবারের জন্য খুবই কষ্টের।
শহীদ বিপ্লব ছিলেন একজন দিন মজুর। দিন এনে দিন খেয়ে কোনো রকম ১ ছেলে ও ১মেয়ের পড়াশোনার খরচ ও সংসার পরিচালনা করতো। ২০১৬ সালে যখন শহীদ বিপ্লব নিহত হন তখন শহীদ বিপ্লবের ছেলে দশম শ্রেণির ছাত্র এবং মেয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিলো। বিপ্লবের স্ত্রী আত্মীয়স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় ছেলে মেয়ে ২টা আকড়ে ধরে আছেন এবং বিচারের জন্য আদালতের বারান্দায় ঘুরছে।
শহীদ বিপ্লবের স্ত্রী-সন্তান এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাবি বিপ্লবের হত্যাকারীদের অতিদ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এই অসহায় পরিবার এর পূর্ণবাসন। এলাকাবাসী বিপ্লবের পরিবারের পূর্ণবাসনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।