ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
prajanmo24 prajanmo24 prajanmo24 prajanmo24 prajanmo24 prajanmo24
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায়ে বাবা-মায়ের অসন্তোষ

প্রজন্ম২৪ ডেস্ক

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল,২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম
শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায়ে বাবা-মায়ের অসন্তোষ

prajanma24 শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায়ে বাবা-মায়ের অসন্তোষ ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ জানিয়েছেন তার বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর জাফরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে রায়-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানান তারা।আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে মাত্র দুজনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আমার ছেলেকে গলা টিপে ধরেছিল। তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো না। আরও কঠোর সাজা দেওয়া দরকার ছিল। আরও অনেককে ফাঁসি দেওয়া দরকার।
মকবুল হোসেন দাবি করেন, অনেক অপরাধী পালিয়ে গেছে। বড় অপরাধীদের এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের বাঁচিয়ে দিয়ে ছোটদের সাজা দেওয়া হয়েছে। সরকারের কাছে আমার দাবি, যারা পালিয়ে গেছে তাদের ধরে এনে ফাঁসি দিতে হবে। এসময় আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।মা মনোয়ারা বেগম বলেন, আরও বেশি আসামির ফাঁসি হলে খুশি হতাম। এ রায়ে আমরা খুশি নই। আমার ছেলে অনেক অত্যাচারের শিকার।
অন্যদিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আবু সাঈদের সহযোদ্ধা শামসুর রহমান সুমন বলেন, শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে গুরুতর অপরাধ করা আসামিদের লঘু শাস্তি দেওয়া হয়েছে। যাদের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, নিশ্চয় তাদের বিষয়ে আদালত চিন্তা করবে বলে প্রত্যাশা করছি। রায়ে যাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে, তাদের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।
এছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া অভ্যুত্থানের সময় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়, তার শাস্তি কম দেওয়া হয়েছে।আবু সাঈদের সহযোদ্ধা আশিকুর রহমান আশিক বলেন, আমাদের দুঃখের সঙ্গে জানাতে হয় যে এটি ছিল স্পষ্ট পুলিশি হত্যাকাণ্ড। পুলিশের এসি ইমরান শিক্ষার্থীদের ওপর ঢিল ছুড়েছিল, হামলার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি আদালত এ বিষয়টি বিবেচনায় আনবে।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাক্ষী আরমান হোসেন বলেন, এ রায়ে ১১ জুলাই, ১২ জুলাই ও ১৬ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর যেসব আসামিরা হামলা চালিয়েছে, তাদের কম সাজা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী রায় ঘোষণা হয়নি। আদালত এটি আমলে নেবে এবং রায় পুনরায় বিবেচনা করবে বলে প্রত্যাশা করছি।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)