ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
prajanmo24 prajanmo24 prajanmo24 prajanmo24 prajanmo24 prajanmo24
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে রোপনকৃত পাবনা ঈশ্বরদী' স্কুল পাড়া চারা বটগাছটি সংরক্ষনের দাবি এলাকাবাসীর

প্রজন্ম২৪

, ঈশ্বরদী

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৫ মে,২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ মে,২০২৬, ০৯:০৩ পিএম
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে রোপনকৃত পাবনা ঈশ্বরদী' স্কুল পাড়া চারা বটগাছটি সংরক্ষনের দাবি এলাকাবাসীর

prajanma24 শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে রোপনকৃত পাবনা ঈশ্বরদী' স্কুল পাড়া চারা বটগাছটি সংরক্ষনের দাবি এলাকাবাসীর ছবি: মো: আলালউদ্দীন

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক পরিসরে শহীদ জিয়াউর রহমান-এর নামের সঙ্গে নানা প্রতীকী কর্মকাণ্ড জড়িয়ে আছে—তার মধ্যে গাছ রোপণও একটি উল্লেখযোগ্য দিক। স্বাধীনতার পর দেশ গঠনের সময় তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক ঐক্য ও উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে উৎসাহিত করেছিলেন।
বটবৃক্ষের প্রতীকী গুরুত্ব
বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতিতে বটগাছ শুধু একটি গাছ নয়—এটি স্থায়িত্ব, ছায়া, আশ্রয় ও ঐক্যের প্রতীক। বলা হয়ে থাকে, শহীদ জিয়ার হাতে রোপিত একটি বটবৃক্ষও সেই একই বার্তা বহন করে—একটি জাতির শেকড়কে শক্ত করে দাঁড় করানোর প্রতীক।


১৯৮০ সালে জুন মাসে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় স্কুল পাড়া চারাবটতলায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজ হাতে স্হানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল বারী সরদারকে সাথে নিয়ে জনগণের সুশীতল ছায়ার কথা চিন্তা করে একটি বট গাছের চারা নিজ হাতে রোপণ করেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমানের এর নিজ হাতে রোপন করা বটগাছটি আজ অবহেলিত।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনের সময় শহীদ জিয়াউর রহমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হাতে নেন। এর মধ্যে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি সম্প্রসারণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ ছিল গুরুত্বপূর্ণ। সে সময় অনেক জায়গায় তাঁর অংশগ্রহণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। একটি বটবৃক্ষ রোপণের ঘটনাও স্থানীয়ভাবে ইতিহাস হয়ে আছে—যেখানে মানুষ এটিকে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করে। বটগাছটি চারাগাছ থেকে এখন অনেক বড় গাছে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘ দিন যাবত এই গাছটি জনগণের সুশীতল ছায়ার অবলম্বন ছিলো। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এই গাছটি জনগণ থেকে আলাদা করার জন্য গাছের গোড়ায় ময়লার ডাস্টবিন বানিয়েছে ও কারেন্টের খাম্বা বসিয়েছে। জনগন আবারও শহীদ জিয়ার রোপন করা বটগাছ থেকে সুশীতল ছায়ায় আবার বসতে চায়, এবং শহীদ জিয়ার জন্য দোয়া করতে চায়।
মানুষের স্মৃতিতে বটগাছ
এ ধরনের গাছ শহীদ জিয়াউর রহমানের সময় সাধারণত কোনো বিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা জনসমাগমস্থল রাস্তার ধারে রোপণ করা হয়েছিল। সময়ের সাথে সাথে ওই গাছটি গুলো বড় হয়ে স্থানীয় মানুষের কাছে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়ায়। অনেকে এটিকে শুধু একটি গাছ নয়, বরং একটি সময়ের দলিল হিসেবে দেখে যেখানে দেশের নেতৃত্ব, উন্নয়ন ভাবনা ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা একসাথে মিশে আছে। যার মধ্যে পাবনা'র ঈশ্বরদী উপজেলায় স্কুল পাড়া চারাবটতলায় গাছটি অন্যতম। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় এই গাছটি জনগণ থেকে আলাদা করার জন্য গাছের গোড়ায় ময়লার ডাস্টবিন কারেন্টের খাম্বা বসিয়েছে একটি অসাধু চক্র।
বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা
আজও এ ধরনের ঐতিহাসিক বটবৃক্ষটি পাবনা'র ঈশ্বরদী বাসীর মনে করিয়ে দেয় নেতৃত্ব শুধু বক্তব্যে নয়, কাজের মাধ্যমেও প্রতিফলিত হয়। পরিবেশ রক্ষা ও দেশ গঠনে প্রতীকী উদ্যোগগুলো দীর্ঘমেয়াদে মানুষের মনে গভীর ছাপ ফেলে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর নিজ হাতে রোপন করা বটগাছটি আজ অবহেলিত : বটগাছটি চারাগাছ থেকে এখন অনেক বড় গাছে পরিনত হলেও অযত্ন অবহেলায় এলাকাবাসী গাছের সুশীতল ছায়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জনগন শহীদ জিয়ার রোপন করা বটগাছের সুশীতল ছায়ায় আবার বসতে চায়।
এলাকা বাসীর দাবি এই বটগাছটি গোড়া পরিস্কার ও কারেন্টের খুটিগুলো পুর্ব দিকে সরিয়ে গাছের গোড়ায় জনগণকে বসার পরিবেশ তৈরী করার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)